সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সফল ব্যক্তিরা প্রতিদিন একই পোশাক পরেন কেন?

 সফল ব্যক্তিরা প্রতিদিন একই পোশাক পরেন কেন?



সময়ের অপচয় রোধঃ

যখন আমাদের অনেক কাপড় থাকে, তখন আমরা সহজেই বিভ্রান্ত হই এবং কোন পোশাকটি পরবো তা বেছে নিতে সময় লাগে। কিন্তু যদি আপনার পোশাকে শুধুমাত্র কালো টি-শার্ট এবং একই রঙের জিন্স থাকে তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কিছু নেই। আপনি সময় বাঁচাতে পারবেন এবং আরও উত্পাদনশীল হয়ে উঠতে পারবেন।


খরচ কমায়ঃ

নানা ধরনের পোশাক কিনলে অর্থ অপচয় বেশি হবে। এইক ধরনের পোশাক পরার সিদ্ধান্ত নিলে আপনাকে খুব বেশি পোশাক কিনতে হবে না। আর এই পোশাকের দাম যেহেতু আপনার জানা, তাই কিনতে গিয়ে ঠকে যাওয়ারও ভয় নেই। অযথা খরচ কমানো গেলে তা আপনাকে আরও অনেক বিষয়ে সাশ্রয়ী হওয়ার পথ বাতলে দেবে।


গুণমানঃ

যেহেতু আপনি একই ধরনের পরবেন, তাই আপনার পোশাকের মান এখানে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সেরা কোনো ব্র্যান্ড থেকে কেনাকাটা করুন, যে ব্র্যান্ডগুলো আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সেগুলোই নির্বাচন করুন। এতে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন যে আপনার জামাকাপড় উত্কৃষ্ট। সেই আত্মবিশ্বাস আপনার মুখেও দেখা যাবে।


অদ্বিতীয়ঃ

প্রতিদিন একই পোশাক পরার মাধ্যমে আপনি সবার থেকে আলাদা হয়ে দাঁড়ান এবং আপনাকে একশোজন মানুষের মধ্যেও অনন্য দেখায়। সবাই আপনার প্রতি মনোযোগ দেয় এবং এটি আপনাকে একটি শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব তৈরি করে দেয়।


Post From: BigyanPoka

মন্তব্যসমূহ

  1. সাদা সার্ট কালো প্যান্ট পারফেক্ট।

    উত্তরমুছুন
  2. ভালোই। শেষ পর্যন্ত একটি ব্লগ সাইট তৈরি করলেন

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. হ্যা, এটা ছোট্ট একটু চেষ্টা, এর পর বিজ্ঞানপোকা পরিপূর্ণ ওয়েবসাইটে রুপান্তর করা হবে।

      মুছুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Popular post

দোয়েলকে আমাদের জাতীয় পাখি বলা হয় কেন?

  দোয়েলকে আমাদের জাতীয় পাখি বলা হয় কেন? এ বিষয়ে বরেণ্য পাখি বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ইনাম আল হক বলেন, ' প্র থম কথা, জাতীয় কিছু করা মানে অর্থাৎ পশু, পাখি, বৃক্ষ, ফল ইত্যাদি সিম্বলিক (প্রতীক) ব্যাপার মাত্র। এটাকে সৌখিনও বলা হয়। সৌখিনতার চাইতে আর কোনো গুরুত্বপূর্ণ দিক নেই। এখানে শুধু দুটো জিনিস সাধারণত ভালো করে দেখা হয়। প্রথমটি হলো- ওই দেশে ওই জিনিসটা বেশি সংখ্যক রয়েছে কি-না? প্রচুর সংখ্যক থাকার অর্থই হলো ওই দেশকে সে রিপ্রেজেন্ট (উপস্থাপন) করছে। যেমন ধরা যাক ইলিশ মাছের কথা। যে কোনো মাছের নাম জানে না সেও ইলিশ মাছের নাম জানে। এই মাছটি এতো ব্যাপকভাবে পরিচিত যে আমরা সবাই এর নাম জানি। ওই পাখিটিরও এমনই ব্যাপক পরিচিত এবং জনপ্রিয় থাকতে হবে। লোকের মুখে মুখে হতে হবে। তবেই সেটি জাতীয় বলে অখ্যায়িত হওয়ার চূড়ান্ত যোগ্যতা রাখে। দ্বিতীয়ত, অন্য কোনো দেশ এটিকে তাদের জাতীয় করে ফেলেছে কি-না, সেটি দেখা। যদি দোয়েল ভারতের জাতীয় পাখি হতো, তবে বাংলাদেশ কখনোই তাকে জাতীয় পাখি হিসেবে তালিকাভুক্ত করত না। অধিক পরিচিতি এবং অন্য কোনো দেশ এটিকে জাতীয় হিসেবে আগেই তালিকাভুক্ত করেছে ক...

পিরামিডের দেশ মিশরের থেকেও বেশি পিরামিড সুদানে।

  পিরামিডের দেশ মিশরের থেকেও বেশি পিরামিড সুদানে।   শুনতে অবাক লাগলেও, সবচেয়ে বেশি পিরামিডের দেশ নয় মিসর। সর্বাধিক পিরামিডের মালিক দেশটির নাম সুদান।  মিসরে পিরামিডের সংখ্যা ১৩৮ , সেখানে  সুদানে পিরামিডের সংখ্যা ২৫৫ । সুদানের পিরামিডগুলো তৈরি হয়েছে  খ্রিস্টপূর্ব এক হাজার ৭০ থেকে ৩৫০ অব্দে , কুশ নামের রাজাদের শাসনামলে। তবে এগুলো তৈরি হয়েছে মিসরে পিরামিড তৈরি হওয়ার রেওয়াজ চালু হওয়ার ৫০০ বছর পরে। মিসরের শ্রেষ্ঠত্ব উচ্চতায়ও। কুশি পিরামিডগুলোর উচ্চতা ছয় থেকে ৩০ মিটার (২০ থেকে ৯৮ ফুট) পর্যন্ত। যেখানে মিসরের পিরামিডগুলোর গড় উচ্চতা ১৩৮ মিটার বা ৪৫৩ ফুট। তবে সবচেয়ে উঁচু পিরামিডটিও কিন্তু মিসরে নয়; বরং মেক্সিকোয়।আর কুশি পিরামিডগুলোর বহির্গাত্র সমান নয়; বরং ধাপযুক্ত। অন্যদিকে মিসরের পিরামিডগুলোর বহির্গাত্র মসৃণ। দুই দেশেই কিন্তু একই উদ্দেশ্যে পিরামিড তৈরি করা হয়েছে। শবদেহের আধার হিসেবে। তবে সুদানের পিরামিডগুলো নিয়ে বেশি গবেষণা হয়নি এখনো। অনেক প্রশ্নেরই উত্তর খোঁজা বাকি। যেমন মিসরিদের মতো একই পদ্ধতিতে কি পিরামিডগুলো তৈরি? বা একেকটি পিরামিড তৈরিতে সময় কেমন লেগেছে? আনন্দে...